Breaking

Monday, November 19, 2018

মহাকাশযানে চড়ে ঘুরে আসুন শনি থেকে মঙ্গল


আপনার কি জা জানতে ইচ্ছে করে কীভাবে মহাকাশ যান মাধ্যাকষর্ণ শক্তিকে উপেক্ষা করে মহাশূনের বুকে ডানা মেলে? আর সেই সময় মহাকাশ যানে থাকা অভিযাত্রীদের অবস্থায়ই বা কীরকম হয়? এবার ধরুন পৃথিবী থেকে কয়েক কোটি মাইল মহাকাশ পেরিয়ে যখন সেই ‘স্পেস ক্রাফ্ট’ শনির বলয় কিংবা মঙ্গলের লাল মাটিকে স্পর্শ করবে, তখন কীরকম দেখতে লাগবে দুই সৌরজাগতিক গ্রহের চিত্র? আবার ধরুন মঙ্গলের বুকে দাঁড়িয়ে আপনার চোখের থেকে মাত্র কয়েক হাত দূর থেকে বেরিয়ে আসছে জলন্ত লাভা।


    ভাবছেন এসব তো মহাকশের অভিযাত্রীদের লেন্সে ধরা পড়ে। আর আপনার আমার মতো সাধারন মানুষ যা প্রত্যক্ষ করে খবরের কাগজের পাতায়। কিন্তু না মুদ্রণ ইতিহাস এখন অতীত। এবার নিজের চোখে দেখতে পাবেন মঙ্গলের লাল মাটিকে, শনির বলয়কে। আর অনুভব করবেন, একটি মহাকাশ যান যখনই মাধ্যাকষর্ণ শাক্তিকে উপেক্ষা করে মহাশূনের দিকে ডানা মেলে, তখনই যে ঝাঁকুনি লাগে সেই ঝাঁকুনিকেও অনুভব করার সুযোগ পাবেন আপনারা। মহাজাগতিক এই দুর্লভ দৃশ্যকে নিজের চোখের লেন্সবন্দি করতে আপনারকে কয়েক কোটি মার্কিন ডলার খরচ করতে হবে না। নামমাত্র অর্থের বিনিময়ে সৌরজগতের একের পর এক ঘটনার সাক্ষী হতে পারবেন আপনারা। সৌজন্যে কলকাতার এমপি বিড়লা তারামন্ডল।



    ভারতের মধ্যে প্রথম এমপি বিড়লা তারামন্ডল দ্বিমাত্রিক চিত্র ব্যবহার করেই প্রতিদিন ৩৮০ জন দর্শককে স্পেস ক্রা্ফটে চড়িয়ে ৪৪ মিনিটের জন্য ঘুরিয়ে নিয়ে আসছে সৌরজগতের একের পর এক গ্রহ, ছায়াপথ, তারাপুঞ্জ থেকে। তারামন্ডলের মুখ্য অধিকর্তা দেবীপ্রসাদ দুয়ারি জানিয়েছেন, চলতি মাসের ২ নভেম্বর থেকে সৌরজগৎ ভ্রমণের এই বিশেষ ‘সফর’ আয়োজন করা হয়েছে। আপাতত বিড়লা তারামন্ডলের প্রতিদিনের শেষ শো’টিতে রাখা হয়েছে সৌরজগতের সফরকে। সন্ধে সাড়ে ছ’টা থেকে সওয়া সাতটা পযর্ন্ত টানটান উত্তেজনায় ভরা এই শো আপাতত হাউজফুল। এখন শুধু ইংরাজি মাধ্যমেই চলছে শো’টি। তবে আগামী বছরে হিন্দি এবং বাংলায়ও শো চালু করার পরিকল্পনা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।



    কিন্তু কেন এমন পরিকল্পনা, তা প্রশ্ন করতে দেবী প্রসাদবাবু জানালৈন, ‘নব্য প্রজন্মকে সৌরজগৎ সম্পর্কে আরও উৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বিড়লা তারামন্ডলের এই অভিনব উদ্যোগ যে একশো শতাংশ সফল হয়েছে, তা গত পনেরো দিনের ইলেকট্রনিক্স ডিসপ্লে বোর্ডে ‘হাউজ ফুল’ শব্দটি দেখলেই বোঝা যায়।

No comments:

Post a Comment